বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

নরম ডিম শেল বা Misshapen ডিম

পাতলা শেল, নরম ডিম শেল, কোন শেল ছাড়া, সচ্ছিদ্র , অনিয়ম বিকৃত ডিম ও অন্যান্য ডিম শেল বিভিন্ন কারণে হতে পারে। ডিমের উৎপাদন হটাৎ ড্রপ করতে পারে, এক্ষেত্রে রোগের সুস্পষ্ট লক্ষণ না থাকলেও, এ পরিস্থিতিতে সংক্রামক হতে এর সম্ভবনা বেশি থাকে। এছাড়াও সম্ভাব্য পরিবেশগত ও খাদ্যতালিকাগত বিষয় জরিত (ডিম পাড়ার অবস্থান আকস্মিক পরিবর্তন, নির্দিষ্ট রোগের কারনে যেমন ওজন, রেসপিরেটরি, ক্ষতি, ইত্যাদি বা) । নরম শেল ডিম সবচেয়ে সাধারণ কারণ খাদ্য ও পরিবেশগত। ডিম বা ডিমের অস্বাভাবিকতা সম্ভাবনার কবুতরের বয়স বৃদ্ধিড় সঙ্গেও ঘটতে পারে।


* পরিবেশগত সমস্যা:

• অস্বাভাবিক তাপ / আর্দ্রতা মাত্রা।

• অত্যধিক তাপ – 85-90 ওভার তাপমাত্রা এক্সপোজার ° ফাঃ (29 – 32 ° Centigrade)

• কম বা উচ্চ আর্দ্রতা মাত্রা

• প্যারাসাইট: চামড়া প্যারাসাইট অথবা অভ্যন্তরীণ ক্রিমি।

• পরিবেশগত বিষক্রিয়াগত সংক্রমণ (অর্থাৎ, ছাঁচ / ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া, ইত্যাদি)

• স্ট্রেস

• অতি শব্দ বা মাদি কবুতরকে বিরক্ত, অনর্থক আগন্তক ইত্যাদি কারনে মাদি অপরিপূর্ণ ডিম পাড়তে পারে।

• পালক বদলের সময়ও (molting) এই ধরনের ঘটনা ঘটে।


** অপুষ্টি / পুষ্টিগত ঘাটতি:

ডিম শেল বা ভ্রূণ এর জন্য একটি প্রতিরক্ষামূলক স্তর হয় ডিমের ভিতরে, শেল 95% ভিতরের ঝিল্লি উপর তৈরী করে যা ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দ্বারা গঠিত। সাধারণত একটি শেল (শুধুমাত্র ভিতরের এবং বাইরের ঝিল্লি এবং কুসুম) ছাড়া পাতলা বা নরম শাঁস ভিটামিন E, B12, এবং D সেইসাথে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, সেলেনিয়াম প্রভাব ডিম শেল গঠন ঘাটতি জড়িত।


=> পুষ্টিকর খাদ্য ঘাটতি: ডিম শেল LIMESTONE, চুনাপাথর ময়দা বা ঝিনুক শেল (চিকেন ফিড সঙ্গে আলাদাভাবে দেওয়া যেতে পারে,যা boiler grower নামে প্রিছিত একটি মিশ্র খাদ্য) ভিটামিন D3 সহ প্রাকৃতিক সূর্যালোক বা সম্পূরক খাদ্য এর সঙ্গে একযোগে “ভিটামিন D2 না” (কম পুষ্টিসম্পন্ন-ও নিম্মমান খাদ্য একটি পাখির পায় সরাসরি তার সামগ্রিক পুষ্টি মান প্রভাবিত করে একইরূপে)। একটা জরুরী কথা সবাইকে মনে রাখতে হবে যে ক্যালসিয়াম এর সাথে অবশ্যই ভিটামিন D+E যোগ করতে হবে তা না হলে পর্যাপ্ত মাত্রাই ক্যালসিয়াম শরীরে শোষিত হবে না। গ্রিট কখনও কখনও এটি ক্যালসিয়াম রয়েছে এই ধরনের ভ্রান্ত ধারনা প্রদান করা হয়, কিন্তু তা ঠিক না, এটা ডিমের মানের উপর কোনো প্রভাব ফেলে না। ফসফরাস বা ক্যালসিয়াম এর অত্যধিক খরচ একটি অস্বাভাবিক মোটা শেল বা রুক্ষ শেল এর যোগাযোগ আছে। ব্লাড inbreeding অবস্থাই পর্যাপ্ত খাদ্যে বিধান সত্ত্বেও অপুষ্টিতে ভুগতে পারে। সুক্ষ / নরম শেল ডিম সঙ্গে যুক্ত হয় ঝুঁকি। ডিম পাড়ার সময় নরম ডিম ভেঙ্গে অভ্যন্তরীণ সংক্রমণ হয়,ফলে প্রায়ই পায়রা / পাখির মৃত্যু ঘটে থাকে।। নালীর ভিতর একটি ডিম ভাঙ্গে সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ টিস্যু একটি সংক্রমণ বা ক্ষতি হতে পারে, তখন সঠিক চিকিত্সা না করে ছেড়ে যাওয়া হলে মৃত্যু অনিবার্য। বাউন্ড ডিম আস্তে খুঁজে ম্যাসেজ করা যেতে পারে। এই ব্যর্থতা তা ডিমের ভিতরে বিরতি এবং অংশে এটি সরানোর জন্য একটি পশুচিকিত্সক জন্য প্রয়োজনে ডিম ভাঙ্গা গেলে ডিম্বনালী ক্ষতি বা সংক্রমণ এড়ানোর জন্য শেল টুকরা এবং ডিমের অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করা উচিত। আর কিছু পদক্ষেপ যেমনঃ হালকা গরম পানির সাথে হেক্সিসল দিয়ে মুছে দিতে হবে।

একটি অভিঘাত/shocked একটি মুরগি নরম shelled ডিম পাড়তে পারে, এই জন্য তার সিস্টেম পূর্বের অবস্থাই ফেরে না আশা পর্যন্ত তাকে নিয়মিত সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে।


অনেকে কুসংস্কার মানে নরম শেল ডিম পারলে, কিন্তু সাধারন ভাবে এটা আমাদের দাই/অপারগতা অন্নের উপর চাপাতে চাই, আমারা যদি প্রথম থেকেই পর্যাপ্ত ভিটামিন ও সুষম খাদ্য সরবরাহ করি তাহলেই কেবল এই ধরনের সমস্যা থাকে মুক্তি পাতে পারে।


মূল লেখক : সোহেল রাবি ভাই



নরম ডিম শেল বা Misshapen ডিম BD Online Pigeon Market

নরম ডিম শেল বা Misshapen ডিম

Pigeon Discussion, Pigeon Diseases & treatment

মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

আমি এটা করি, আপনিও এটা করতে পারেন (কেস স্টাডি)

সামাজিক সাইট গুলো যোগাযোগের একটা ভাল মাধ্যম! এটার যেমন ভাল দিক আছে তেমন খারাপ ফলও আছে। এখানে একটা ছোট আমন্ত্রণ যেমন মুহূর্তে লাখ লাখ লোক জড় করতে পারে। তেমনি একটা ছোট ভুল লাখ লাখ লোকের জীবন কে দুর্বিষহও করে তুলতে পারে। অথবা একটা সঠিক তথ্য অনেক জীবন বাঁচাতে ও তাকে শান্তিময় করে তুলতে পারে। এখন এটা আমাদের উপর আমরা এটা কিভাবে ব্যাবহার করছি তারই উপর। আমি অন্য কোন প্রসঙ্গে কথা বলছি না আমি বলছি কবুতরের গ্রুপ এর কথা। এখানে অনেকে ভাল উপদেশ দেন। আর কিছু আছেন যারা না জেনেই বলে ফেলেন মনে মধ্যে যা আছে তাই। কিছু মানুষ আছেন যারা আবার সরাসরি উপদেশ দেন না। তারা এভাবে বলে থাকেন যে, আমি এটা করে উপকার পেয়েছি,আপনিও এটা করতে পারেন। যদি আপনি তার ভুল ধরেন তাহলে বলবে আমি ত তাকে এটা করতে বলিনি। (যদিও বলে রাখা ভাল, এই ধরনের কথা যারা বলে তারা এই কাজ নিজেরাও মনে হয় করেন না।) যারা এমন ভাবে তারা মানুষ দের ভুল পথে পরিচালিত করে থাকে। আর তাতে মাসুল নতুন কবুতর পালকরাই দিয়ে থাকেন।


এদের প্রসঙ্গে আল্লাহ্‌ বলেন, “আর তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাক যতক্ষণ না ভ্রান্তি শেষ হয়ে যায়; এবং আল্লাহর সমস্ত হুকুম প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। তারপর যদি তারা বিরত হয়ে যায়, তবে আল্লাহ তাদের কার্যকলাপ লক্ষ্য করেন। “(সূরা আল আনফাল আয়াত-৩৯)


এদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ আর বলেন,“তবে কোন সম্প্রদায়ের ধোঁকা দেয়ার ব্যাপারে যদি তোমাদের ভয় থাকে, তবে তাদের চুক্তি তাদের দিকেই ছুঁড়ে ফেলে দাও এমনভাবে যেন হয়ে যাও তোমরাও তারা সমান। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধোকাবাজ, প্রতারককে পছন্দ করেন না।।“(সূরা আল আনফাল আয়াত-৫৮ )


এই ধরনের লোকদের ব্যাপারে ছোট বেলার একটা গল্প মনে পড়ে গেল, এক শেয়াল একবার বনে ঘুরতে ঘুরতে হটাত একটা ফাঁদে আটকা পড়ল। অনেক কষ্টে সে ছাড়া পেল,কিন্তু তার লেজটা কাঁটা পড়ল। মন কষ্টে সেই শেয়াল ঘুরে বেড়ায়। আর সবায় তাকে দেখে মুচকি হাসে। তাই সেই শেয়াল একটা বুদ্ধি আঁটল। সে সব শেয়ালদের ডেকে বলল ওহে বন্ধুগণ তোমরা কি জান, আমাদের লেজ কোন কাজে আসে না। তাই এটা আমাদের রেখে লাভ নেই। আর এটা কেটে ফেলাই ভাল। শুনে একটা বয়স্ক শেয়াল হেসে বলল, ওহে চালাক শেয়াল তুমি ফাঁদে পড়ে তোমার লেজ হারিয়েছ বলে তুমি আমাদের লেজও হারানোর পরিকল্পনা করেছ। চালাক শেয়াল ধরা পড়ল।


এই ধরনের লোক সেই চালাক শেয়ালের মত তারা তাদের ভুলের মাশুল তারা যেভাবে দিয়েছেন, এখন তার চান অন্যরাও তাদের মত ভুল করুন। যাই হোক নানা মুনির নানা মতের মত ভিন্ন মতের কারনে আজ এই খাত সঙ্কটাপন্ন অবস্থা। ট্রেডার আর মুনাফা ভোগী ব্রিডারদের দোউরাত্র আজ এই খাতটি খিচুরি পাকান অবস্থা। যে যেমন ইচ্ছে এই খাতকে তেমন ভাবেই ব্যাবহার করছেন। যে যেমন ইচ্ছে তেমন ভাবে ব্রীড করছেন। আর অন্য সবাইকে নানা ভাবে উৎসাহিত করছেন। কিছুদিন আগে আমাকে একজন জানালেন তিনি একজনের কাছ থেকে কিং নড় ও স্ত্রেসার মাদি এনেছেন ফসটার হিসাবে। মানে যিনি এটা বিক্রি করেছেন সেই নতুন কবুতর পালককে তাকে গাইড করার প্রয়োজন মনে করেননি। কারন তার প্রোডাক্ট ত বিক্রি হচ্ছে।


এক খামারে দেখা গেল যে একজন নামকরা ব্রিডার এই রকম দুই জাতের কবুতর কে ক্রস করাচ্ছেন। একজন লক্ষা ও সিরাজির ক্রস করিয়ে এক ধরনের জাত তৈরি করেছেন। আর তিনি নতুন আরেকজনের কাছে দামে সেই কবুতর বিক্রি করেছেন। এরকমই কিছুদিন আগে এ ধরনের কিছু জাত করার চেষ্টা করা হয়ে ছিল। যেটাকে লাজুক লক্ষা নাম দিয়ে উচ্চদামে নতুন খামারিদের কাছে বিক্রি করে পকেট ভরেছেন। রোগ প্রতিকার থেকে শুরু করে এই ধরনের ধকাবাজ/ঠকবাজ লোকদের কারনে আজ এই খাতে ইতিমধ্যে অশনিসংকেত দেখা গেছে। এখন এটা আর কত খারাপ হতে পারে তারই দেখা বাকি। এই প্রসঙ্গে একটা গল্প আপনারদের শুনানোর লোভ সামলাতে পারছি না, একলোক একবার একটা কঙ্কালের মাথা পেল। যার কপালে লিখা ছিল,”এর কপালে আরও খারাবী আছে।“ লক্তির ভুরু কুঁচকে গেল। যার এত খারাপ অবস্থা তার আর কি খারাপ হতে পারে। তাই সেটাই দেখার জন্য সে,মাথাটি বাসাই নিয়ে আসল ও লুকিয়ে রাখল।


প্রতিদিন অফিস এ যাবার আগে ও অফিস থেকে ফিরে একবার করে। ঘুমাতে যাবার আগে ও ঘুম থেকে উঠে একবার করে দেখত যে এর কপালে আর কি ঘটেছে। এই ভাবে দিন যায় একদিন তার স্ত্রী ব্যাপারটি খেয়াল করল। আর তাকে জিজ্ঞাস করল। কিন্তু লোকটি তালবাহানা করে বিষয়টি এড়িয়ে গেল। এতে তার স্ত্রীর সন্ধেহ হল। আর তাই একদিন তার অবর্তমানে সেখানে গেল ও দেখল যে, সে একটা মাথা প্রতিদিন এভাবে দেখে। এর পরদিন অফিস থেকে ফিরে যথারীতি সেই লোকটি মাথাটি চেক করতে গেল কিন্তু সে সেটা পেল না। শেষে খুজে না পেয়ে। সে তার স্ত্রী কে জিজ্ঞাস করল। তার স্ত্রী মুখ ভেংচিয়ে বলল, ওটার ল্যাতার মেরে দিয়েছি। পুরান প্রেমিকের ভালবাসা মরার পরও ভুলতে পারনি তাই বাসাই নিয়ে এসেছ। এটাকে ভেঙ্গে গুড়ো করে বাথরুমে ফ্ল্যাশ করে দিয়েছি। লোকটি মুচকি হাসল, আর বলল আর এই জন্যই বোধ হয় মাথাটির কপালে এই লিখাটা ছিল।


আমাদের এই কবুতরের খাতের কপালেও মনে হয় ঠিক এমনটিই আছে, যা আমরা এখন পর্যন্ত নিজেদের স্বার্থের আড়ালে ঢেকে আছে। কিন্তু যদি সময়মত আমরা নিজেদের সংশোধন না করি। তাহলে হইত এই গল্পটির মাথার মতই হয়ত অবস্থা হবে। তাই সময় এসেছে, নিজেদের স্বার্থের আড়ালটা সরিয়ে একটু ভালমত চোখ খুলুন। তা না হলে এই খাতটির ব্যাপারে এক সময় ভুলে যেতে হবে। হয়তো এমন একটা সময় আসবে যখন, আপনার নাতি পোতারা একদিন বলবে আমার দাদা না সৌখিন কবুতর পালত খুবই সুন্দর সেই সব কবুতর! আর আপনি তাদের সেই পুরান ছবি গুলই শুধু দেখাবেন বা দেখাতে পারবেন। তখন আর কিছু করার থাকবে না। (ধন্যবাদ।)


মূল লেখক : সোহেল রাবি ভাই



আমি এটা করি, আপনিও এটা করতে পারেন (কেস স্টাডি) BD Online Pigeon Market

আমি এটা করি, আপনিও এটা করতে পারেন (কেস স্টাডি)

Pigeon Discussion

কিছু রোগ সম্পর্কে কিছু সতর্কতা (কেস স্টাডি)

কবুতর পালতে গিয়ে প্রথম পর্যায়ে নানা অসুবিধার সম্মখিন হন অনেকেই আমিও হয়েছি। আর তাই সব সময়ই চেষ্টা করি যেন ,আমি যে অসুবিধা গুলোর সম্মখিন হয়েছি সে রকম যেন আর কাওকেই পরতে না হয়। তাই সাধ্যমত চেষ্টা করি। বিভিন্ন ভাবে কিন্তু যত দিন যাচ্ছে ততই হতাশ হচ্ছি। ছোট বেলায় শুনেছিলাম যে ভুতের নাকি উল্টো পায়ে হাঁটে। কিন্তু আজ অনেকদিন পর মনে হল যেন আমরাও ঠিক ভুতের মত উল্টো পায়ে হাঁটছি। বাসে উঠতে গেলে একসঙ্গে ১০ জন উঠার চেষ্টা করি,অফিস এ একজন আরেকজনের উপর ল্যাঙ মারার চেষ্টা করি। আমরা মাঝে মাঝে ভুলে যায় একজন উঠলেই আরেকজন উঠবে। কিন্তু আমার তা করি না। যাইহোক, আমি আমার একটা পোস্ট এ বলেছিলাম আমরা পড়তে পছন্দ করি না। সব কিছুই তৈরি চাই। আর তাই হয়তো সমস্যা দিন দিন কমা ত দূরে থাক আরও বাড়ছে। সামাজিক সাইট গুলো তে কবুতর সংক্রান্ত যে ধরনের অসম্পন্ন প্রশ্ন দেখা যায়, যেমনঃ


১) আমার কবুতর লোম ফুলিয়ে বসে থাকে বা লোম ফুলিয়ে থাকে,কি করবো?


ব্যাখ্যাঃ কোন বিস্তারিত তথ্য নাই,বুঝার কোন উপাই নাই কি উপদেশ দিয়া যাবে! আর অনেককে প্রশ্ন করে অপেক্ষা করতে হয়,কারন তিনি ঠিকমত খেয়াল করেননি।!


২) আমার কবুতরের খাওয়া দাওয়া কমে গেছে, কি করবো?


ব্যাখ্যাঃ কোন বিস্তারিত তথ্য নাই,কারও সাধ্য নাই,কি বলবে!


৩) আমার কবুতর পানি পায়খানা করছে, কি করবো?


ব্যাখ্যাঃ কি ধরনের কোন নির্দেশনা নাই!


৪) আমার কবুতর গোসল দিবার পর ঝিমাচ্ছে, কি করবো?


ব্যাখ্যাঃ খুবই স্বাভাবিক, তারপরও মানুষ ঔষধ দিয়ে বসে!


৫) আমার কবুতর পাতলা পায়খানা করছে/ঠাণ্ডা লাগেছে অ্যান্টিবায়টিক দিচ্ছে কিন্তু কোন কাজ হচ্ছে না, কি করবো?


ব্যাখ্যাঃ যদিও অ্যান্টিবায়টিক এই ধরনের রোগে কোন কাজ করে না তারপরও দেয়া হয়!

এছাড়াও অ্যান্টিসেপ্তিক ঔষধ কোথায় পাওয়া যায়, হোমিও কোথাই পাওয়া যায়।

এই ধরনের নানা অনর্থক নানা প্রশ্ন দেখা যায়। আমরা ছোট বেলাই পরেছিলাম “গ্রন্থগত বিদ্যা আর পরহস্থে ধন, নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজন।”


যেকোনো রোগের প্রশ্ন জিজ্ঞাস করলে। যে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে, বা যেকোনো প্রশ্ন জিজ্ঞাস করার আগে কিছু তথ্য দিলে ভাল হয়,কি সেগুলোঃ


১) সমস্যা কয়দিনের?

২) পায়খানা কেমন রঙ এর?

৩) কিছু প্রাসঙ্গিক তথ্য… রোগ সম্পর্কিত, কোন ভিতামিন,বা ঔষধ দিয়া হইছিল কিনা?

৪) মুখে ঘা আছে কিনা, কোন গন্ধ আছে কিনা? খাওয়া দাওয়া করে কিনা? ইত্যাদি


আমি বিভিন্ন সময়ে পোস্ট/কেস স্টাডি এর সাথে PMV(প্যারামক্সি ভাইরাস) ও ডিপথেরিয়া রোগ নির্ণয় ও তার প্রতিকার সম্পর্কে বলেছিলাম। যদিও সবাই প্যারামক্সি ভাইরাস কেউ বেশী গুরুত্ত দেন, আর সে ব্যাপারে যত তোড়জোড় করেন, কিন্তু দুর্ভাগ্য জনক হলেও সত্য যে ডিপথেরিয়া কে নিয়ে এমন কোন ব্যাবস্থা দেখা যায় না। যদিও আমাদের দেশে PMV(প্যারামক্সি ভাইরাস) যত কবুতর মারা যায় তার থেকেও বেশী কবুতর মারা যায় ডিপথেরিয়া নামক রোগে যদিও কিছু লোক এগুলো কে PMV(প্যারামক্সি ভাইরাস)বলে চালিয়ে দেন। কিন্তু সেগুলো আসলে প্যারামক্সি ভাইরাস না। এই দুইটা রোগের বাইরেও আরেকটি নিরব ঘাতক আছে কবুতরের সেটা হল ম্যালেরিয়া। আর এই সকল রোগের পোস্ট পর্যায় ক্রমে দিবার খুবই ইচ্ছে ছিল, কিন্তু নকল বাজ লকদফের কারনে বন্ধ করে দিয়েছি। আর এই সকল রোগের বর্ণনা আমার বইয়ে থাকবে (ইন শা আল্লাহ)। আসুন এই রোগ নির্ণয়ে বা রোগ জিজ্ঞাসার আগে নিজেকে তৈরি করে নিই।


১) আপানর কবুতরের কি ঘাড় বা অন্য কোন অঙ্গ অবস ?

২) আপানর কবুতরের কি মুখে গন্ধ আছে?

৩) খাবার বা পানি খেলে কি মুখ নাক দিয়ে বের হয়ে আসে?

৪) গা বা শরীর গরম বা ঠাণ্ডা?

৫) পায়খানা কি সবুজ সাদা?

৬) নাক দিয়ে সরদি ঝরে?

৭) মুখ দিয়ে কি ঘড় ঘড় শব্দ হয়?

৮) মুখে কি সাদা বা হলুদ ঘাআ আছে?

৯) চোখ কি ফুলে ও পানি ঝরে?

১০) নাক দিয়ে রক্ত পড়ে মাঝে মাঝে?


যদি এই সব প্রশ্ন মিলে যায় তাহলে, আপনার কবুতরের ডিপথেরিয়া হয়েছে, কোন সন্দেহ বা ভুল নাই। আর অনতিবিলম্বে চিকিৎসা শুরু করেন। আর ভাল হলেও চিকিৎসা বন্ধ করবেন না কারন এই রোগের চিকিৎসা ও রোগ পরবর্তী পথ্য অনেক বেশী জরুরি। আর এর আনুমানিক সময় ৩-৪ মাস লাগে। আপনার যদি আরও কিছু প্রশ্নের উত্তর খুজার চেষ্টা করুন, যেমনঃ


১) আপনার কবুতরের কি খাবার জমে থাকে পাকস্থলীতে?

২) আপনার কবুতরের কি মুখ দিয়ে গরম পানি বের হয় চাপ দিলে বা এমনিতে?

৩) আপনার কবুতরের কি গা গরম থাকে আর বসে থাকে চুপ করে?

৪) আপনার কবুতর কি কাঁপে?

৫) বুকের হাড্ডির নিচে কি প্রচুর খুস্কি?

৬) লোম ফুলিয়ে বসে থাকে?

৭) উরতে গেলে কি হাপিয়ে যাই বা বেশী উড়ে না?

৮) কবুতরের ঠোঁট কি ফ্যাঁকাসে সাদা যা গলাপি ভাব নাই বা সুকন সাদা সাদা ভাব লেগে থাকে?

৯) কবুতরের গায়ে কি মাছি আছে?


যদি এই সকল প্রশ্নের উত্তর পান তাহলে আপনার কবুতরের মাল্যারিয়া হয়েছে। আর এটা ৭-৮ সপ্তাহ আপনাকে সময় দিতে হবে সুস্থ হতে। আর এগুলো শুধু তখনি সম্ভব যখন আপনি আপনার কবুতরের খামারে সময় দিবেন। তাদের আচার আচরন লক্ষ্য করবেন। এখানে আমি রোগের কোন চিকিৎসা ব্যাবস্থা দিলাম না, কারন এগুলো খুবই স্পর্শ কাতর ঔষধ তাই এগুলর যেমন ইচ্ছে ব্যাবহার ঠিক না। একটা ব্যাপার অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, এই সব রোগের চিকিৎসা ৫-৭ দিনে সম্ভব না, তাই ২ দিনে এর ফলাফল আশা করবেন না। কারন কিছু লোক অল্পতেই তাদের আশা হারিয়ে ফেলেন, তারা ২-৩ দিনেই ফলাফল চান। আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে আপনি আপনার কবুতর গুলো কে কি ঔষধ দিচ্ছেন আর কার উপদেশে দিচ্ছেন সেটা একটা বিবেচনার বিষয়। আপনি যদি সাল্মনেল্লা জন্য ercot or cosmix plus দেন তাহলে আর বলার কিছুই নাই। তাই এখনি আপনার সঠিক সময় আপনার কবুতরের সঠিক চিকিৎসা করার। একটু ঠাণ্ডা মাথাই চিন্তা করুন ও তারপর চিকিৎসা শুরু করুন। একটু চিন্তা করুন আপনার এটা হলে আপনি কি ঔষধ খেতেন। তাহলেই আপনার সঠিক সমাধান পেয়ে যাবেন। আল্লাহ্‌ আমাদের সবাই কে সঠিক জ্ঞান দান করুন। (আমীন)।


মূল লেখক : সোহেল রাবি ভাই



কিছু রোগ সম্পর্কে কিছু সতর্কতা (কেস স্টাডি) BD Online Pigeon Market

কিছু রোগ সম্পর্কে কিছু সতর্কতা (কেস স্টাডি)

Pigeon Discussion

Blue Streeser(bar less) New adult pair for sale


Blue Streeser(bar less) New adult pair for sale BD Online Pigeon Market

Blue Streeser(bar less) New adult pair for sale

সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

সুধুই ডিম চাই by KF Sohel Rabbi

একভাই একদিন ফোন দিলেন যে তাঁর একজোড়া কবুতর কেনার পর থেকে ডিম দিচ্ছে না। কি করা যায়? আমাদের দেশে অধিকাংশ খামারি আছেন যারা প্রতিনিয়ত আশা করেন কবুতর ডিম বাচ্চা করবে আর করতেই থাকবে। আর সেটা যে কোন মুল্যেয় হোক না কেন! যদি কোন কবুতর ১৫ দিন বা ১ মাস ডিম দিতে দেরি করে তাহলে চিন্তার অন্ত থাকে না। কিন্তু কেউ এততুকু বুঝতে চাই না যে, এই প্রাণীটিরও বিশ্রাম এর প্রয়োজন আছে। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম যে “ তুই ডুবে মর আমাকে শালুক তুলে দে ” কথায় বলে যে একটা কবুতর ১২ মাসে ১৩ বার ডিম দেয় স্বাভাবিক পরিবেশ ও সুষম খাবার পায় সেই অবস্থায়। কিন্তু খুব কম খামারিই আছেন যে তাদের এই অবস্থা নিশ্চিত করতে পেরেছেন। আপনি যেমন ফসল বুনবেন আর ফলও তেমনি পাবেন। আপনি শুধু গম ভুট্টা খেতে দিয়ে আপনি কখনও ভাল ডিম বাচ্চা আশা করতে পারেননা। কিছু খামারি আছেন যারা কিছু দামি জাতের কবুতর কে দিয়ে নিয়মিত ডিম নেন। আর ফসটার দিয়ে বাচ্চা পালেন। এই ভাবে মাসে ২-৩ বার ডিম নেনে।আর কিছু খামারি আছেন যারা ২ মাদী ও ১ নর দিয়ে ব্রীড করেন ও ডিম নেনে। আর এটা তারা গর্ব ভরে প্রচার করেও বেড়ান। এখন কেউ যদি এই ধরনের ব্রীডার কে কসাই বলে আখ্যায়িত করেন তাহলে কি ভুল বলা হবে?


এই ত সেদিন এক খামারি জানালেন যে তিনি তা একজোড়া কবুতর থেকে ২ লক্ষ টাকা আয় করেছেন কিন্তু মাদিটা ২-৩ মাস ধরে অনিয়মিত ডিম দিচ্ছিল বলে তাকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। কি ধরনের কথা। এত টাকা আয় করার পরও তাকে বিশ্রাম দিবার প্রয়োজন মনে করেননি এই খামারি। খুবই দুঃখ জনক একটা ব্যাপার। প্রায় খামারি আছেন যারা ব্রিডিং জোড়া কিনতে পছন্দ করেন, যাতে বাসায় নিয়ে যাবার কিছু দিনের মধ্যে ডিম পারে বাচ্চা উঠায়। আর তিনি যদি সেই জোড়া বাসায় নিবার পর ১ মাস ডিম না দেন তাহলে অস্থির হয়ে পরেন। আর বিক্রেতার চোদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করে ফেলেন। কিন্তু কেন এরকম হচ্ছে কেও একবার ভাবার চেষ্টা করেন না।


আমরা অনেকে সখ থেকে কবুতর পালা শুরু করি কিন্তু পরে টা নেশা ও এরপর পেশা হিসাবে নেন বা নিতে পারেন কন দোষের কিছু নাই। কিন্তু দোষ হল যে সেই প্রাণীটির দিকে খেয়াল না রাখা। সধারনত নর এর থেকে মাদি কবুতরের জীবন কাল তুলনামূলক ভাবে একটু কম হয়। এর অনেক কারন গুলোর মধ্যে একটা কারন হল ঘন ঘন ডিম পারা ও বাচ্চা তুলা। একটা কবুতরের জন্য ডিম পাড়া ও বাচ্চা তুলাটা এবং সেই বাচ্চা তিলতিল বড় করা যে কি কষ্টের তা যদি কেউ সঠিক ভাবে হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে পারত তাহলে হত তিনি বা তারা ডিম বাচ্চা করা বন্ধ করে দিত। একজন সাধারন মানুষ যদি দিনে ২-৩ বার বমি করে তাহলে তাঁর শারীরিক অবস্থা কি হতে পারে? কিন্তু একটা কবুতর দিনের পর দিন অনবরত বাচ্চা কে এই ভাবে খাওয়াচ্ছে। আমি বলব না যে ডিম বাচ্চা করা বন্ধ করে দিতে কিন্তু এর মাঝে একটু রেস্ট দিতে হবে। যেমন আপনি ২-৩ বার বাচ্চা করেছেন এর পর ১৫ দিন রেস্ট দেন। কিভাবে দিবেন। যেমন নর মাদি কে আলাদা রাখা বা প্লাস্টিক ডিম দিয়ে বসিয়ে রাখা। আর এর মাঝে তাকে সুষম খাদ্য, ভিটামিন ও মিনারেলস সরবরাহ করা। গরমের সময় ডিম বাচ্চা করা সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। কারন একটা কবুতরের জন্য শীতের সময়তা একটু চালেজিং । কারন এই সময় টা তে রোগ বালায় বেশি হয়। এ ছাড়াও অন্যান্য অবস্থা চিন্তা করলে বুঝা যায়। যদিও বাংলাদেশের বাইরে থেকে এই দেশের জলবায়ু ও আবহাওয়া কবুতর পালা জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। ইউরোপ সহ বাইরের বিভিন্ন দেশে শীতে একেবারেই ব্রিডিং বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাঁর মানে আমি এটা বলছি না যে শীতে একবারেয় ব্রিডিং বন্ধ করে দিতে।এতা বলছি যে যে কন মৌসুমেই ব্রিডিং করেন না কেন একটু দেখে শুনে বুঝে ব্রিডিং করাবেন। এখন আসুন আমরা ডিম ও এর গঠন নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করি।


ডিমঃ


ডিম্ব বা ডিম্বাণু থেকেই প্রাণী জিবনের সৃষ্টি হয়। সাধারণত স্তন্নপায়ী প্রাণীর ভ্রুনের বৃদ্ধি ঘটে জননীর দেহের ভিতর, কিন্তু পাখি বা কবুতর জাতীয় প্রাণীর ভ্রুনের বৃদ্ধি ঘটে দেহের বাইরে তা দেবার মাধ্যমে। আমার কয়েকটি পোস্ট এ ডিম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তাঁর মধ্যে কবুতর কেন ডিম ভাঙ্গে ও খায়, ডিমের নরম খোলস, ও ডিমের ভিতর বাচ্চা মারা যাওয়া ইত্যাদি। আপনি আপানার কবুতর কে যে ধরনের খাবার দিবেন সে ঠিক সেয় ধরনেরি ডিম দিবে। মানে আপনি যদি ভাল বাচ্চা পেতে চান তাহলে অবশ্যই সুষম খাদ্য ও ভাল খাদ্য সার দিতে হবে। আর ডিমের ভিতর বাচ্চা মারা যাওয়া বা বাচ্চা দুরবল হাওয়াই এর অন্যতম কারন হিসাবে ধরা হয়। প্রতিটি ডিম্বাণু ঝিল্লি প্রাথমিক অবস্থায় একটি বোটার সাহায্যে ডিম্বাশয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এরপর পুষ্ট ডিম্বাণু ডিম্বাশয় থেকে বিছিন্ন হয়ে ফ্লানেল এর মধ্যে আসে এবং পরিশেষে বাইরে বেরিয়ে আসে। ডিম পারার ৩০ মিনিট পর্যন্ত ডিমের খলের চারপাশে মোম জাতীয় একটি আবরন পরে। যাকে Cuticle বলে। এটি ডিম নালির ভিতর সঞ্চালনে সাহায্য করে থাকে। ডিম শেল এর সামগ্রিক মান প্রভাবিত করে এমন অনেক কারন আছে। ডিম শেল 97 94 % ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ওপর গঠিত। অন্য তিন শতাংশ জৈবপদার্থ ও ডিম শেল রঙ্গক হয়। শেলে 8,000 হিসেবে আণুবীক্ষণিক ছিদ্র আছে। শেল নিজেই বাইরের আবরণ আচ্ছাদন মত প্রোটিন এর ঠিক পূর্বে শেল জমা হয় যা ত্বকের বাইরের স্তর বা পুষ্প শেল মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া অনুপ্রবেশ থেকে ডিম অভ্যন্তর বিষয়বস্তু রক্ষা নামক শ্লৈষ্মিক আবরণ রয়েছে। ডিম শেল এর গুণ শেল এর রং, আকৃতি, এবং গঠন দ্বারা নির্ধারিত হয়। ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলিত হয়ে ডিমের ভিতর একটি প্রান মণ্ডল তৈরি হয় আর এটা সব সময় কুসুমের উপরের অংশে থাকে। ডিমের কুসুম বাচ্চার দেহের অ্যান্টিবডি তৈরিতে সাহায্য করে থাকে। আর এটি ভ্রুনের জন্য প্রতিনের সরবরাহ নিশ্চিত করে। ডিম ধরার সময় আলত করে ধরতে হয় যাতে ঝাকি না লাগে।বা ডিম ৪ দিনের মাথায় যে রক্ত জমে তা জোরে নাড়াচাড়া করলে তা রগ ফেটে ডিম অকার্যকর হয়ে যেতে পারে। ডিমে যদি কন কারনে ফাটল ধরে আর যদি কন রস বের না হয় তাহলে ডিম জমার ব্যাপারে কন অসুবিধা হয় না তবে ডিম টি পুদিং দিয়ে ভাল করে লেপে শুকিয়ে নিতে হবে। টেপ দিয়া ঠিক না…এতে পরে বাচ্চা বের হতে অসুবিধা হতে পারে। কিছু কবুতর আছে একটা ডিম দিবার পরপরই ডিমে বসে। আর কিছু আছে যে ২ টা ডিম দিবার পরি কেবল ডিমে তা দেয়। কিছু আবার আছে ডিমে একেবারেই বসে না বা কিছুদিন পর ডিম থেকে উঠে যায়। আই ধরনের কবুতরের জন্য ফসটার রাখতে হয়। সাধারণত বড় ধরনের কবুতরের ১ জোড়ার জন্য ৩ জোড়া করে ফসটার রাখা ভাল।


পরিশেষে বলতে চাই যদি আপনি ঠিকমত বাচ্চা আশা করেন তাহলে অবশ্যই রেস্ট এর পাশাপাশি ডিম বাতি পরিস্কার, ডিম পরিস্কার ও ডিমের আদ্রতা নিশ্চিত করতে হবে। আর তায় ৮ দিনের পর থেকে ডিমে ২-৩ দিন অন্তর পানি স্প্রে করা ও কবুতরের গোসল নিশ্চিত করতে হবে। এতে ডিমের হ্যাচিং এর সম্ভাবনা বেরে যায়। আর আপনি যদি সোনার ডিম পাড়া হাঁসের গল্পের মত সুধুই ডিম চান তাহলে কোন কথা নাই। আপনি হয়ত বেস কয়বার ডিম বাচ্চা করতে পারবেন, কিন্তু আদুর ভবিষ্যৎ এ একটি সুন্দর সম্ভাবনা কে নষ্ট করার জন্য আপনিই দায়ি থাকবেন।


মূল লেখক : সোহেল রাবি ভাই



সুধুই ডিম চাই by KF Sohel Rabbi BD Online Pigeon Market

সুধুই ডিম চাই by KF Sohel Rabbi

Pigeon Discussion

শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪